মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব হিসেবে ভাষা সৈনিক মুহাম্মদ দবিরুল ইসলামের আত্মকাহিনী-

 

বাঙ্গালিদের অধিকার আদায়ের গৌরবজনক অধ্যায় ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের আন্দোলনে, পুর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ (বর্তমান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ) গঠনে যে ক’জন তেজদীপ্ত তরুণ ছাত্রনেতা বিশেষ অবদান রেখেছেন, তাদের মধ্যে মুহম্মদ দবিরুল ইসলাম অন্যতম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহপাঠী।

 

মুহম্মদ দবিরুল ইসলাম ১৩ মার্চ ১৯২২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলাধীন বামুনিয়া গ্রামে জন্ম লাভ করেন। তাঁর পিতার নাম মৌলানা তমিজ উদ্দিন আহম্মেদ, মাতা দখতর খানম।

 

মু: দবিরুল ইসলাম ১৯৩৮ সালে ঠাকুরগাঁও বয়েজ স্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং ১৯৪০ সালে রাজশাহী সরকারী কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন।

 

পরে ১৯৪৭ সালে তিনি বিএ পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন শাস্ত্রে ভর্তি হন। বিভিন্ন আন্দোলনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে বহিষ্কার এবং ১৯৫৫ সালে কারাবাস থেকে এল.এল.বি পরীক্ষা দিয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।

 

১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলনে দিনাজপুরের নুরুল হুদা, কাদের বকস, মুস্তফা নুরউল ইসলাম, এম.আক্তার মুকুল, দবিরুল ইসলাম প্রমুখ নেতৃত্ব দেন। ১৯৪৯ সালে ছাত্রলীগের প্রথম কাউন্সিল অধিবেশনে দবিরুল ইসলাম ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার দাবী নিয়ে আন্দোলন শুরু হলে সরকারের জুলুম নির্যাতন নেমে আসে। প্রতিরোধ হিসেবে ১৯৪৯ সালে ৮ জানুয়ারী সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্র ধর্ম ঘাট পালিত হয়। শেখ মুজিবর রহমান, দবিরুল ইসলাম ও অলি আহাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে ছাত্র জনতার সামনে বক্তব্য রাখেন। আন্দোলন তীব্র আকার ধারন করলে দবিরুল ইসলাম নুরুল হুদা, কাদের বকস ও এম.আক্তার মুকুল কারারুদ্ধ হন।

 কাল করেন।

ছবি